বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্যালিয়েটিভ কেয়ার ইউনিটের রোগীদের চিকিৎসা সেবার বাইরে অতিরিক্ত আর্থিক সহায়তার প্রয়োজনীয়তা দেখা দিলে, যেমন - ঔষধ ক্রয়, পরিবারের পুনর্বাসন, শিক্ষাবৃত্তি, রোগীর অন্তিম ইচ্ছা পূরণ এবং দাফন-সংশ্লিষ্ট সহায়তা, ইত্যাদি পূরণের লক্ষ্যে ব্যক্তিগত এবং সমষ্টিগত আর্থিক সহায়তা প্রদান শুরু হয়েছিলো। এ উদ্দেশ্যে ২০১০ সালের আগস্ট মাসে এটার নামকরণ হয় ‘স্বপ্ন প্রকল্প’। পরবর্তীতে এই প্রকল্পের দায়িত্ব প্যালিয়েটিভ কেয়ার সোসাইটি অব বাংলাদেশ গ্রহণ করে।
বর্তমানে ‘স্বপ্ন প্রকল্প’ শিক্ষাবৃত্তি সহায়তার ক্ষেত্রে কার্যকর রয়েছে, যেখানে প্রাথমিক থেকে বিশ্ববিদ্যালয় এবং নার্সিং পর্যায় পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা অন্তর্ভুক্ত। প্রকল্পটি প্যালিয়েটিভ কেয়ারের রোগীদের সন্তানদের শিক্ষা সহায়তা প্রদানের মাধ্যমে তাদের শেষ ইচ্ছা পূরণে সাহায্য করছে।